Hanuman Chalisa in Bengali: বাংলায় সম্পূর্ণ হনুমান চালিসা | অর্থ, পাঠের নিয়ম | Hanuman Jayanti 2026

hanuman chalisa in bengali, hanuman chalisa in bengali pdf, সম্পূর্ণ হনুমান চালিশা, হনুমান চালিশা পাঠের উপকারিতা, hanuman chalisa lyrics, হনুমান চালিশা পাঠ করার নিয়ম, hanuman chalisa bengali lyrics, হনুমান চালিশা পাঠ করার সময়, সম্পূর্ণ হনুমান চালিশা pdf, সম্পূর্ণ হনুমান চালিশা বাংলা, হনুমান চালিশা বাংলা লিরিক্স PDF, niyog hobe,Hanuman Jayanti 2026,
Hanuman Jayanti 2026 – হনুমান চালিসা পাঠের শুভ দিন

Hanuman Chalisa In Bengali | হনুমান চল্লিশা (হিন্দিতে হনুমান চালিসা) হল গোস্বামী তুলসীদাস রচিত ভগবান হনুমানকে উৎসর্গ করা একটি হিন্দু ভক্তিমূলক স্তোত্র, যেখানে ভগবান শ্রীহনুমানের শক্তি, ভক্তি ও বীরত্বের বর্ণনা রয়েছে। ষোড়শ শতকের ভারতীয় কবি তুলসীদাস এটি আওয়াধি ভাষায় লিখেছিলেন, যিনি ভগবান রাম এবং হনুমানের ভক্ত ছিলেন। 


তাঁর এই রচনাটিতে তেতাল্লিশটি আয়াত রয়েছে যার মধ্যে দুটি প্রারম্ভিক দোহা, চল্লিশটি চৌপাই এবং একটি অন্তিম দোহা। হনুমান চালিসায় "চালিসা" শব্দটি "চালিস" থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যার অর্থ চল্লিশ সংখ্যা। কারণ,  হনুমান চালিসায় শুরুতে দুটি দোহা এবং শেষের একটি দোহা বাদ দিলে ৪০ টি শ্লোক রয়েছে।

বিশেষ করে হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে এই চালিসা পাঠ করলে সাহস, শক্তি ও বাধা থেকে মুক্তি লাভ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। যাঁরা  হনুমান চালিসা বাংলায় খুঁজছেন, তাঁদের জন্য এখানে সম্পূর্ণ বাংলা লিরিক্স, অর্থ ও পাঠের নিয়ম তুলে ধরা হল। সেইসঙ্গে পাবেন হনুমান জয়ন্তী ২০২৬ (Hanuman Jayanti 2026)-এর তারিখ, পূজার বিধি সহ সম্পূর্ণ গাইড।

🕉️ হনুমান চালিসা বাংলা (লিরিক্স)- Hanuman Chalisa Lyrics In Bengali

॥ দোহা ॥

শ্রীগুরু চরণ সরোজ রজ নিজ মন মুকুরু সুধারি।

বরনউ রঘুবর বিমল জসু জো দায়কু ফল চারি॥ ১॥

বুদ্ধিহীন তনু জানিকে সুমিরোঁ পবনকুমার।

বল বুধি বিদ্যা দেহু মোহিঁ হরহু কলেস বিকার॥ ২॥


॥ চৌপাঈ ॥

জয় হনুমান জ্ঞান গুন সাগর।

জয় কপীস তিহুঁ লোক উজাগর॥ ১ ॥

রাম দূত অতুলিত বল ধামা।

অঞ্জনি পুত্র পবনসুত নামা॥ ২॥

মহাবীর বিক্রম বজরঙ্গী।

কুমতি নিবার সুমতি কে সঙ্গী॥ ৩॥

কাঞ্চন বরণ বিরাজ সুবেসা।

কানন কুণ্ডল কুঞ্চিত কেশ॥ ৪॥

হাথ বজ্র ঔ ধ্বজা বিরাজৈ।

কাঁধে মূঁজ জনেউ সাজৈ॥ ৫॥

শঙ্কর সুবন কেশরী নন্দন।

তেজ প্রতাপ মহা জগ বন্দন॥ ৬॥

বিদ্যাবান গুণী অতি চতুর।

রাম কাজ করিবে কো আতুর॥ ৭॥

প্রভু চরিত্র শুনিবে কো রসিয়া।

রাম লখন সীতা মন বসিয়া॥ ৮॥

সূক্ষ্ম রূপ ধরী সিয়হিঁ দিখাবা।

বিকট রূপ ধরি লঙ্কা জরাবা॥ ৯॥

ভীম রূপ ধরি অসুর সঁহারে।

রামচন্দ্র কে কাজ সঁবারে॥ ১০॥

লায় সঞ্জীবনি লখন জিয়ায়ে।

শ্রীরঘুবীর হরষি উর লায়ে॥ ১১॥

রঘুপতি কিন্হী বহুত বড়াঈ।

তুম মম প্রিয় ভরতহি সম ভাই॥ ১২॥

সহস বদন তুমহরো জস গাবৈঁ।

অস কহি শ্রীপতি কন্ঠ লগাবৈঁ॥ ১৩॥

সনকাদিক ব্রহ্মাদি মুনীশা।

নারদ শারদ সহিত অহীশা॥ ১৪॥

যম কুবের দিগপাল জহাং তে।

কবি কোবিদ কহি সকে কহাং তে॥ ১৫॥

তুম উপকার সুগ্রীবহি কীন্হা।

রাম মিলায় রাজপদ দীন্হা॥ ১৬॥

তুম্হরো মন্ত্র বিভীষণ মানা।

লংকেশ্বর ভয়ে সব জগ জানা॥ ১৭॥

য়ুগ সহস্র যোজন পর ভানু।

লীল্য়ো তাহি মধুর ফল জানু॥ ১৮॥

প্রভু মুদ্রিকা মেলি মুখ মাহী।

জলধি লাংঘি গয়ে অচরজ নাহী॥ ১৯॥

দুর্গম কাজ জগত কে জেতে।

সুগম অনুগ্রহ তুম্হরে তেতে॥ ২০॥

রাম দুয়ারে তুম রখবারে।

হোত ন আজ্ঞা বিনু পৈসারে॥ ২১॥

সব সুখ লহৈ তুম্হারী শরণা।

তুম রক্ষক কাঁহু কো ডর না॥ ২২॥

আপন তেজ তুম্হারো আপৈ।

তীনোং লোক হাংক তে কাংপৈ॥ ২৩॥

ভূত পিশাচ নিকট নহি আবে।

মহবীর জব নাম সুনাবে॥ ২৪॥

নাসৈ রোগ হরৈ সব পীরা।

জপত নিরংতর হনুমত বীরা॥ ২৫॥

সংকট সেং হনুমান ছুড়াবৈ।

মন ক্রম বচন ধ্য়ান জো লাবৈ॥ ২৬॥

সব পর রাম তপস্বী রাজা।

তিনকে কাজ সকল তুম সাজা॥ ২৭॥

ঔর মনোরধ জো কোয়ি লাবৈ।

তাসু অমিত জীবন ফল পাবৈ॥ ২৮॥

চারো যুগ পরিতাপ তুম্হারা।

হৈ পরসিদ্ধ জগত উজিয়ারা॥ ২৯॥

সাধু সন্ত কে তুম রখবারে।

অসুর নিকন্দন রাম দুলারে॥ ৩০॥

অষ্ঠসিদ্ধি নব নিধি কে দাতা।

অস বর দীন্হ জানকী মাতা॥ ৩১॥

রাম রসায়ন তুম্হারে পাসা।

সাদ রহো রঘুপতি কে দাসা॥ ৩২॥

তুম্হরে ভজন রামকো পাবৈ।

জনম জনম কে দুখ বিসরাবৈ॥ ৩৩॥

অন্ত কাল রঘুবর পুরজায়ী।

জহাঁ জনম হরিভক্ত কহায়ী॥ ৩৪॥

ঔর দেবতা চিত্ত ন ধরয়ী।

হনুমত সেয়ি সর্ব সুখ করয়ী॥ ৩৫॥

সংকট কটৈ মিটৈ সব পীরা।

জো সুমিরৈ হনুমত বল বীরা॥ ৩৬॥

জৈ জৈ জৈ হনুমান গোঁসাই।

কৃপা করো গুরুদেব কী নায়ী॥ ৩৭॥

যো শত বার পাঠ কর কোয়ী।

ছূটহি বন্দি মহা সুখ হোয়ী॥ ৩৮॥

যো ইয়েহ পড়ে হনুমান চালীশা।

হোয় সিদ্ধি সাখী গৌরীশা॥ ৩৯॥

তুলসীদাস সদা হরি চেরা।

কীজৈ নাথ হৃদয় মহ ডেরা॥ ৪০॥

॥ দোহা ॥

পবন তনয় সঙ্কট হরণ – মঙ্গল মূরতি রূপ।

রাম লখন সীতা সহিত – হৃদয় বসহু সুরভূপ॥ ১॥


📖 হনুমান চালিসার বাংলা অর্থ

এখানে গোস্বামী তুলসীদাস রচিত সম্পূর্ণ হনুমান চালিসার সহজ বাংলা অর্থ দেওয়া হলো।


🔶 শুরুর দোহা


শ্রী গুরু চরন সরোজ রজ, নিজ মন মুকুর সুধারি ।
👉 গুরুর চরণধূলি দিয়ে মনকে পবিত্র করি।

বরনৌ রঘুবর বিমল যশ, যো দায়ক ফল চারি ॥
👉 রামের পবিত্র গুণগান করি, যা ধর্ম-অর্থ-কাম-মোক্ষ দেয়।

বুদ্ধিহীন তনু জানিকে, সুমিরৌ পবন কুমার ।
👉 নিজেকে অজ্ঞ জেনে পবনপুত্রকে স্মরণ করি।

বল বুদ্ধি বিদ্যা দেহু মোহি, হরহু কলেশ বিকার ॥
👉 শক্তি, জ্ঞান দাও ও দুঃখ দূর করো।

🔶 হনুমান চালিসা (৪০ চৌপাই)


১. জয় হনুমান জ্ঞান গুণ সাগর ।
👉 জ্ঞান ও গুণের সাগর হনুমানকে প্রণাম।

জয় কপীশ তিহুঁ লোক উজাগর ॥
👉 তিন লোক আলোকিতকারী বানররাজকে প্রণাম।

২. রামদূত অতুলিত বলধামা ।
👉 রামের দূত, অসীম শক্তির আধার।

অঞ্জনি পুত্র পবনসুত নামা ॥
👉 অঞ্জনীর পুত্র ও পবনদেবের সন্তান।

৩. মহাবীর বিক্রম বজরঙ্গী ।
👉 বজ্রসম শক্তিশালী মহাবীর।

কুমতি নিবার সুমতি কে সঙ্গী ॥
👉 কু-বুদ্ধি দূর করে শুভবুদ্ধি দেন।

৪. কাঞ্চন বরণ বিরাজ সুবেশা ।
👉 সোনালি বর্ণ ও সুন্দর রূপ।

কানন কুন্ডল কুঞ্চিত কেশা ॥
👉 কানে কুণ্ডল ও কুঞ্চিত চুল।

৫. হাথ বজ্র অউর ধ্বজা বিরাজে ।
👉 হাতে বজ্র ও পতাকা।

কাঁধে মুঞ্জ জনেউ সাজে ॥
👉 কাঁধে পবিত্র উপবীত।

৬. শঙ্কর সুভন কেশরী নন্দন ।
👉 শিবের অংশ ও কেশরীর পুত্র।

তেজ প্রতাপ মহা জগ বন্দন ॥
👉 তাঁর তেজে বিশ্ব বন্দনা করে।

৭. বিদ্যাবান গুণী অতি চাতুর ।
👉 জ্ঞানী ও চতুর।

রাম কাজ করিবে কো আতুর ॥
👉 সর্বদা রামের কাজে প্রস্তুত।

৮. প্রভু চরিত্র শুনিবে কো রসিয়া ।
👉 রামের লীলা শুনতে ভালোবাসেন।

রাম লখন সীতা মন বসিয়া ॥
👉 রাম-লক্ষ্মণ-সীতা হৃদয়ে বাস করেন।

৯. সূক্ষ্ম রূপ ধরী সিয়হি দিখাবা ।
👉 সূক্ষ্ম রূপে সীতাকে দর্শন দেন।

বিকট রূপ ধরী লঙ্কা জরাবা ॥
👉 ভয়ংকর রূপে লঙ্কা দহন করেন।

১০. ভীম রূপ ধরী অসুর সংহারে ।
👉 অসুর বধ করেন।

রামচন্দ্র কে কাজ সওয়ারে ॥
👉 রামের কাজ সম্পন্ন করেন।

🔶 বাকি চৌপাই সংক্ষেপ অর্থসহ

১১-২০: সঞ্জীবনী এনে লক্ষ্মণকে বাঁচানো, রামের প্রশংসা, দেবতাদের বন্দনা, সূর্যগ্রাস, সমুদ্র লঙ্ঘন ও কঠিন কাজ সহজ করা।

২১-৩০: রামের দ্বাররক্ষক, শরণাগতদের রক্ষা, ভূতপ্রেত দূর, রোগ নাশ, সংকটমোচন ও মনোবাসনা পূরণ।

৩১-৪০: অষ্টসিদ্ধি প্রদান, রামভক্তি দান, জন্মজন্মান্তরের দুঃখ নাশ, মৃত্যুকালে রামধাম লাভ ও তুলসীদাসের প্রার্থনা।


🔶 সমাপনী দোহা


পবন তনয় সংকট হরণ, মঙ্গল মূর্তি রূপ ।
👉 হে পবনপুত্র, সংকট নাশকারী ও মঙ্গলময়।

রাম লখন সীতা সহিত, হৃদয় বসহু সুরভূপ ॥
👉 রাম-লক্ষ্মণ-সীতাসহ আমার হৃদয়ে বাস করুন।


📿 হনুমান চালিসা পাঠের সঠিক নিয়ম

সাধারণত লোকমুখে প্রচারিত নিয়মিত এই চালিসা পাঠ করে থাকেন হনুমান ভক্তরা। যাঁরা প্রথমবার এই চালিসা পাঠ করতে চলেছেন, তাঁরা মঙ্গলবার দিনটিকে বেছে নিন। ভাল ফল পাওয়ার জন্য হনুমান চালিসা পড়ার সময় কিছু নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। যেমন - 

  • মঙ্গলবার ও শনিবার পাঠ করা সবচেয়ে শুভ।
  • সাধারণত সকাল বেলা স্নান সেরে, পরিশুদ্ধ বস্ত্র পরিধান করে হনুমান চালিশা পাঠ করা উচিৎ। যদি কখনো সন্ধ্যায় হনুমান চালিশা স্তব জপ করতে হয়, তাহলে হাত, পা, মুখ সঠিকভাবে ধুঁয়ে পরিষ্কার বস্ত্রে জপ শুরু করতে পারেন।
  • হনুমান চালিসা পড়ার জন্য একটি শান্ত ও পবিত্র স্থানে যেমন মন্দির, পূজা ঘর ইত্যাদি জায়গায় কুশ বা অন্য কোনও আসনে বসে নিবেদন করুন। 

  • পাঠের সময় দক্ষিণমুখী হয়ে বসলে ভাল ফল পাওয়া যায়।

  • পাঠ শুরু করার আগে একটি প্রদীপ এবং ধূপকাঠি জ্বালাবেন। চাইলে ভগবান হনুমানকে ফুল এবং প্রসাদ (মিষ্টি) নিবেদন করতে পারেন।
  • আর এই চালিসা পাঠ শুরু করার আগে সর্বদা গণেশের আরাধনা করবেন।
  • এর পরে সীতা ও রামকে স্মরণ করে ভগবান হনুমানকে প্রণাম করুন।
  • এর পর ভগবান হনুমানকে ফুল অর্পণ করে হনুমান চালিসার পাঠ শুরু করুন।
  • এই চালিসা পাঠের সময় পূর্ণ ধারাবাহিকতা এবং প্রতিটি শব্দটি স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করুন।


🕉️ হনুমান চালিশা পাঠের উপকারিতা

আপনি যদি পূর্ণ ভক্তি সহকারে নিয়মিত হনুমান চালিশা পাঠ করেন তাহলে আপনার সমস্ত ইচ্ছা পূরণ হতে পারে। যেমন - 

  • ভগবান হনুমান আপনার পথে আসা সমস্ত বাধা সরিয়ে একটি মসৃণ জীবনযাপন করতে সাহায্য করবে। 
  • প্রতিদিন সকালে হনুমান চালিশা পাঠ করেন মানসিক চাপ বা অবসাদ বা ভয় থেকে মুক্ত হওয়া যায়। 
  • কোনও যাত্রার আগে হনুমান চালিশা পাঠ করলে ওই যাত্রায় সব রকমের দুর্ঘটনা এড়ানো যায় বলে বিশ্বাস করা হয়। 
  • হনুমান চালিশা পাঠ করলে বিদেহী আত্মা, নেতিবাচক বা নেগেটিভ এনার্জি দূর হয়ে যায়।
  • কর্মক্ষেত্রে সাফল্য লাভ, অর্থ সমস্যা দূর হয় হনুমান চালিশা পাঠ করলে
  • নিয়মিত হনুমান চালিসা পাঠ মোক্ষ লাভের কার্যকর উপায়।


🚩 হনুমান জয়ন্তী ২০২৬: তারিখ  পূজা বিধি 

হনুমান জয়ন্তী হল ভগবান হনুমানের আবির্ভাব দিবস। এই পবিত্র দিনে হনুমান চালিসা পাঠ করলে ভয়, বাধা ও নেগেটিভ শক্তি দূর হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। যারা নিয়মিত হনুমান চালিসা পাঠ করেন, তাঁদের জন্য এই দিনটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

📅 হনুমান জয়ন্তী ২০২৬ তারিখ কবে?

হনুমান জয়ন্তী ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর ভারতের অধিকাংশ অঞ্চলে চৈত্র পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হবে। পঞ্জিকা অনুযায়ী সম্ভাব্য তারিখ বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬। তবে কিছু দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্যে হনুমান জয়ন্তী বৈশাখ মাসের কৃষ্ণ চতুর্দশী তিথিতে আলাদা দিনে পালিত হয়।

🙏 হনুমান জয়ন্তী পূজা বিধি (সংক্ষিপ্ত)

  • ভোরে স্নান করে পরিষ্কার লাল বা গেরুয়া পোশাক পরুন।
  • হনুমানজির ছবিতে সিঁদুর, সরিষার তেল ও লাল ফুল অর্পণ করুন।
  • শ্রী রাম নাম স্মরণ করে পূজা শুরু করুন।
  • হনুমান চালিসা ১, ৩ বা ৭ বার পাঠ করুন।
  • গুড়, ছোলা বা কলা প্রসাদ হিসেবে নিবেদন করুন।

⏰ হনুমান জয়ন্তীতে হনুমান চালিসা পাঠের সেরা সময়

🌅 সূর্যোদয়ের পর (ভোর ৫টা – ৭টা)।
🌙 সন্ধ্যাবেলা প্রদীপ জ্বালিয়ে।
বিশেষ শুভ সময়: অমৃত যোগ / শুভ লগ্ন।

📿 হনুমান জয়ন্তীতে হনুমান চালিসা পাঠের বিশেষ নিয়ম

  • পাঠের সময় দক্ষিণমুখী হয়ে বসলে ভাল ফল পাওয়া যায়।
  • পাঠের আগে ও পরে “শ্রী রাম” নাম জপ করুন।
  • পাঠ চলাকালীন মন একাগ্র রাখুন ও ব্রহ্মচর্য পালন করুন।

🌼 হনুমান জয়ন্তীতে হনুমান চালিসা পাঠের উপকারিতা

✔️ মানসিক ভয় ও দুশ্চিন্তা কমে।
✔️ সাহস ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।
✔️ শনি ও মঙ্গল দোষের প্রভাব কমে (ভক্তদের বিশ্বাস)।
✔️ জীবনের বাধা কাটে ও সাফল্য আসে।


🔝 সম্পূর্ণ হনুমান চালিসা বাংলা পড়ুন

❓ হনুমান চালিশা – সচরাচর প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

প্রশ্ন ১: হনুমান চালিসা কতবার পাঠ করা উচিত?

উত্তর: সাধারণত ১ বার যথেষ্ট, তবে বিশেষ দিনে ৭ বা ১১ বার পাঠ করা হয়।

প্রশ্ন ২: মঙ্গলবারে পড়া কি বেশি ফলদায়ক?

উত্তর: হ্যাঁ, মঙ্গলবার ও শনিবার বিশেষ শুভ বলে মানা হয়।

প্রশ্ন ২: হনুমান জয়ন্তীতে উপবাস করা কি বাধ্যতামূলক?

উত্তর: না, উপবাস ঐচ্ছিক। ভক্তিভরে পাঠ করলেই পূণ্য লাভ হয়।

প্রশ্ন ৩: হনুমান চালিসা পাঠে কী লাভ হয়?

উত্তর: ভয় দূর হয়, মানসিক শক্তি বাড়ে এবং বাধা কাটে বলে বিশ্বাস করা হয়।

প্রশ্ন ৪: হনুমান জয়ন্তীতে কোন রঙের পোশাক পরা শুভ?

উত্তর: লাল বা গেরুয়া রঙের পোশাক পরা শুভ বলে মনে করা হয়।


👉সম্পূর্ণ হনুমান চালিশা বাংলা PDF (Hanuman Chalisa In Bengali pdf)


🙏 উপসংহার

ভগবান হনুমানের অপর নাম সঙ্কটমোচন। আর তাঁর স্মরনে হনুমান চালিশা হল একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মহামন্ত্র। এটি নিয়মিত জপ করে সারাজীবনের সমস্ত সঙ্কট নিরসন করা যায়। এমনকি আপনার সমস্ত ইচ্ছাও পূরণ হতে পারে। হনুমান জয়ন্তী 2026 ভক্তি, শক্তি ও আত্মবিশ্বাস জাগ্রত করার এক পবিত্র দিন। এই দিনে নিষ্ঠার সঙ্গে হনুমান চালিসা পাঠ করলে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে বলে বহু ভক্ত বিশ্বাস করেন। 


🚩 জয় শ্রী রাম | জয় হনুমান 🚩

Post a Comment

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post